আমি মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে.....
আমি অনেক কিছুই করি,...
বড়লোকের আদুরে কন্যার বাড়ি যেসব কখনোই চিন্তা করা যায়
না এমন অনেক কিছুই আমাদের মতো মধ্যবিত্ত দের
করতে হয়,আমি এবং আমরা..!!!
1. আমাদের টুথ ব্রাশ সূর্যমুখী ফুল না হওয়া পর্যন্ত ওটা ইউজ করতেই
থাকি..!
2.আমরা শ্যাম্পুর বোতল শেষ হয়ে গেলে ফেলে দেই
না,তাতে পানি ঢেলে মাস খানেক চালিয়ে দেই ।
3.টুথপেস্ট বা স্নো শেষ হলে সেটার কোনায়
কেটে টিপে টিপে বের করি।নিশ্চিন্তে সপ্তাহ
কেটে যায়।
4. টিভির রিমোট জোরে জোরে টিপি, চর থাপ্পর দেই,
তবুও নতুন ব্যাটারি লাগানো কথা মাথায় আসে না।
5.আমাদের ঘরে দামি প্লেট বাটি গুলো সো-কেজ এ
তুলে রাখা হয়, বিশেষ কেউ আসলে তা বের করা হয়।
6.আমাদের বাসায় হরলিক্স এর খালি বোতল ফেলে দেয়া হয়
না, তাতে আচার রাখা হয়!
7.আমাদের মত মধ্যবিওদের ঘরে আই.পি.এস থাকে না তাই
কারেন্ট গেলে
গরমের মাঝেও বাতির আলোতে পড়তে হয়।
8. আমাদের ছোট ছেলে মেয়েরা দামি কোন
খেলনা পায় না, ছোট মেয়েরা কাপড় দিয়ে পুতুল
বানিয়ে খেলে আর ছোট ছেলেরা পুরনো সাইকেলের
টায়ার নিয়ে সারাদিন দৌড়ায়।
এর পরেও যেন আমরা এই সব পরিবারে জন্ম
নিয়ে যতটা ভালবাসা আর সুখ খুজে পাই তা ওই চার
দেয়ালের মাঝে পাওয়া যায় না।
মধ্যবিত্ত ঘর,,,,
জাতীয়তা,,,,,
→ত্রিশ লক্ষ
মানুষকে যদি একের উপর এক শোয়ানো হয় তবে তার
উচ্চতা হবে ৭২০ কিলোমিটার, যা মাউন্ট
এভারেস্টের উচ্চতার ৮০
গুণ !
→ত্রিশ লক্ষ মানুষ যদি হাতে হাত ধরে দাঁড়ায়
তবে তার দৈর্ঘ্য
হবে ১১০০ কিলোমিটার, যা টেকনাফ
হতে তেঁতুলিয়ার দূরত্বের
চেয়েও বেশি !
→ত্রিশ লক্ষ মানুষের শরীরে মোট রক্তের পরিমাণ
১.৫
কোটিলিটার,
যা শুকনো মৌসুমে পদ্মা নদীতে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত
পানির
সমান !
___তারপরও হয়তো আমরা কখনই
বুঝবনা যে কতটা মূল্য
দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে ! সবুজ
আয়তক্ষেত্রের
মাঝে লাল বৃত্তের জন্য আমাদের ভালোবাসা ঠিক
যেন, নিজের
মায়ের প্রতি ভালবাসার মত হয়! আমাদের মহান
মুক্তিযুদ্ধের ৩০
লক্ষ শহীদ, ২ লক্ষ বীরাঙ্গনা মা-বোনদের
প্রতি গভীর
শ্রদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধাদেরপ্রতি অশেষ
কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনপূর্বক
সবাইকে বিজয় দিবসের
প্রানঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি !
কিন্তু আজো লাখো শহীদ এর এই
দেশে চলে অন্যায় অত্যাচার,
অবাধে দুর্নীতি.
তাই প্রান দিয়ে চেষ্টা করবো দেশের সব অন্যায়
অত্যাচার
দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে,,,,,,,,
ভয়ংকর ভুতুরে ‘ ফলোয়ার ’
অমাবস্যা রাত চারদিকে ঘোর অন্ধকার ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকছে হিজলগাছ থেকে একটা নাম না জানা পাখি ডেকে উঠছে
কিছুক্ষন পর পর যেনো এক ভয়ানক আর্তনাদ করছে!
,
নির্জন রাস্তায় আমি একা ভয়ে সারা শরীর ঘেমে একাকার
এমন সময় মনে হলো , কে যেন আমাকে ফলো করছে !
,
,
অনেক কষ্টে ভয়ার্ত স্বরে জিজ্ঞাস করলাম, ‘ আপনি কে? আমাকে ফলো করছেন? ’
,
,
হঠাৎ ভরাট স্বরে কেউ একজন বলে উঠল, “ ফেইসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট দিছি, অ্যাকসেপ্ট করেন না ক্যান? তাই বাধ্য হয়ে ফলো করতেছি! ”,,,
,
,
,
আমি তো পুরাপুরি টাস্কিত :3 :3
হয়ত ভালোবাসা সবার জন্য না,,,
__আজকেও তুমি দেরি করে আসলা,,,?
__ কি করবো বলো বাসা থেকে বের হওয়া এত সহজ না
__ আচ্ছা বাদ দাও তা এখানে ডাকছো কেনো সেটা বলো আর বিয়ের পাত্রীর সেজে আসছো কেনো ,,,
__ বাবা আমার বিয়ে ঠিক করছে আজ রাতে আমার বিয়ে ,,,
__ বলো কি, ,?
(রাজের মাথায় যেনো হাজার টনের একটা ভারী কিছু পরছে )
রাজ আর মিথিলা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসে সেই ক্লাস নাইন থেকে দুজন ক্লাসমেট কিছু দিন আগে দুজন HSC পরিক্ষা দিয়েছিলো রাজ পরিক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করেছে আর মিথিলা দুই বিষয়ে গোল্লা মারছে,,,
মিথিলার বাবা মিথিলার রেজাল্টের পর থেকেই মিথিলার জন্য পাত্র খুঁজে যাচ্ছে আজ হঠাৎ করে মিথিলার বিয়ে ঠিক হয় এমন কি আজ রাতেই মিথিলার বিয়ে তাই মিথিলা বাড়ি থেকে কিছু না বলেই বিয়ের সাজে রাজের সাথে দেখা করতে এসেছে,,,
রাজ মিথিলার কথা শুনে খুব বিস্ময় হয়ে আছে,,,
__ হ্যা তাইতো বাসা থেকে পালিয়ে আসছি চলো কোথাও পালিয়ে যাই,,
__ হুম পালিয়ে যে যাবো কিন্তু কোথায় যাবো কি করবো সবে মাত্র HSC পাশ করছি এখন তো কোথাও কোনো জব পাবো না তুমাকে নিয়ে পালিয়ে গেলে তুমাকে খাওয়াবো কি
থাকবো কোথায়,,,,
কথা গুলা শুনে মিথিলা কান্না স্বরে বলল
__ তার মানে তুমি আমাকে আর চাচ্ছো না,,?
__ আমি কি সেটা বলছি জাস্ট সত্যিটা বললাম,,,
__ তাহলে এখন কি করবো ,,,?
__ তুমি বাড়ি ফিরে যাও,,
__ এত সহজে বলতে পারলা,,,?
__ হুম পারলাম,,,
মিথিলা খুব জুরে কান্না করতে করতে বাড়ির দিকে গেলো কিন্তু রাজ আর গেলো না সে শুধু ভেবেই যাচ্ছে তার এই ভালোবাসা এই নিষ্ঠুর পৃথিবী ধরে রাখতে পারে নি,,,
সেও খুব কান্নাকাটি করছে রাজ যখন মিথিলার সাথে দেখা করে তখন তার মোবাইল অফ রাখে যেনো মোবাইলের ফোনে তাদের কথা বার্তায় ডিস্টার্ব না হয় আজও তার ব্যতিক্রম হয় নি মোবাইল প্রায় তিন ঘন্টা পর অপেন করে রাজ মোবাইল অপেন করার সাথে সাথে একটা মেসেজ আসলো মিথিলার নাম্বার থেকে, ,,
message খুব ভালোবাসি তুমাকে যেটা তুমি বুঝতে পারো নি,,
চলে যাচ্ছি তুমাকে ছেড়ে এই পৃথিবীকে ছেড়ে আর কখনোই ডিস্টার্ব করবো না তুমাকে আর তুমার এই বাস্তবতাকে ভালো থেকো,,,
মেসেজটা পেয়েই সাথে সাথে সে মিথিলাকে ফোন করলো কিন্তু হায় একি মিথিলার মোবাইলের সুইচ অফ তাড়াতাড়ি করে একটা রিক্সা নিয়ে মিথিলার বাড়ি যায় কিন্তু একি মিথালার বাড়িতে এত কান্নার শব্দ কেনো ,,?
রাজের বুকটা কেমন জানি খালি হয়ে যাচ্ছে রাজ মিথিলার বাড়ির ভিতরে গিয়ে দেখে একটা লাশ মেজেতে শুয়ে আছে তবে মুখটা সাদা কাপড়ে ডাকা সে খুব ভয়ে ভয়ে মুখটা খুলে দেখে তার মিথিলা শুয়ে আছে সে খুব জুরে চিৎকার দিয়ে বলছে বেঈমান আমাকে ভুল বুঝে চলে গেলে একটা বার বুঝতে চাইলা না যে আমার মন কি চাইছে সেকি তুমাকে হারাতে চেয়েছিলো,,?
সেও যে তুমাকে ভালোবাসে এই কথা গুলার বলার পর রাজও মাটিতে পরে যায় সাথে সাথে তাকে হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে,,,
,
,
,
,
সত্যিকারে ভালোবাসা গুলো এভাবেই পৃথিবীর বুক থেকে চলে যায় আর রেখে যায় শুধু তাদের কষ্টের স্মৃতি গুলা যা কিনা তারা তাদের জীবন দিয়ে অর্জন করা,,,,
আমার বিয়ে,,,,
বিয়ের পর প্রথমবার যখন মারিয়াকে নিয়ে শপিং করতে গেলাম, ও তখন বলে উঠলো- “এই যে শোনেন, আমার শাড়ি আর অন্যান্য ড্রেস গুলো আপনি পছন্দ করে দিবেন, আর আপনার ড্রেস গুলো সব আমি পছন্দ করে দিবো, ঠিক আছে”??
.
আমি মৃদু হেসে সম্মতি দিয়ে ওর জন্য সুন্দর একটাশাড়ি পছন্দ করে কিনে দিলাম। আর ও আমার জন্যপছন্দ করলো, আগের যুগের কিছু ঢিলে-ঢালা শার্ট,।টেইলার্সে নিয়ে গিয়ে দিয়ে আসলো আমারপ্যান্টের মাপ।.আমি যখন মুখ কালো করে তাকে জিজ্ঞেসকরেছিলাম, “এটা কি হলো?? আমি তোমার জন্য কত সুন্দর একটা শাড়ি পছন্দ করে দিলাম, আর তুমি আমার জন্য এসব কি পছন্দ করলা”??
মারিয়া তখন হালকা চোখ রাঙিয়ে আমাকে বললো, “বেশী কথা বলবেন না !! আপনি সুন্দর সুন্দর ড্রেস পরবেন, আর রাস্তা ঘাটের সব মেয়েরা আপনার দিকে তাকিয়ে থাকবে, তাইনা?? উহু আমি এসব মেনে নিতে পারবো না”
.
ব্যাপারটাতে আমি প্রথমে বিরক্ত হলেও দিনে দিনে বুঝতে পেরেছিলাম, মেয়েটা আমাকে কত বেশী ভালবাসে !! কিভাবে আমি সুখে থাকবো, কি করলে আমি প্রাণ খুলে হাসবো, সব সময় খুশি থাকবো, সেই চিন্তাতেই মেয়েটি ব্যাস্ত থাকতো সব সময়। সেখুব পাগলামী করতো, আমাকে আগলে রাখার চেষ্টা করতো সব সময়। অনেক সময় তার কিছু পাগলামীর অর্থ আমি বুঝতাম না। রেগে যেতাম। হুটহাট ধমক টমক দিয়ে ফেলতাম।...
.
বিয়ের প্রায় সাত মাস পর মারিয়া ব্লাড ক্যান্সারে মারা গেল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে ধরে রাখতে পারিনি। বিন্দু বিন্দু করে গড়ে উঠা তার প্রতি আমার এক সমুদ্র ভালবাসাটা প্রকাশ করতে পারিনি। আমার পৃথিবীটা নিমেষেই একদম ছোট হয়ে গেল।
.
আজ প্রায় দুই বছর হলো মারিয়া মারা গেছে। মারা যাবার কিছুদুন আগে সে বলে গিয়েছিলো,“আমি তো কিছুদিন পর মরেই যাবো। তুমি আমার একটা কথা রাখবা? আমার ছোট বোন টা আছেনা? রিমি। জানো, ও প্রায়ই আমাকে বলতো, 'বুবুআমি বউ সাজবো কবে'? ওকে অনেক জায়গাথেকেই দেখতে আসতো, কিন্তু একটু খাটো আরকালো বলে ছেলেপক্ষ ওকে পছন্দ করতো না। বোনটা আমার এখনো দরজা বন্ধ করে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদে। ওর হয়তো খুব সহজে বউ সাজা হবে না। ভালো কোনো বিয়ের প্রস্তাব আসবে না। তুমিকি পারবে ওকে বিয়ে করে পূর্ণ স্ত্রীর মর্যাদা দিতে? পারবে বলো”??
.
হ্যাঁ আমি তার শেষ কথাটা রাখতে পেরেছি। যে পরম মমতায় সে কথা গুলো বলেছিলো, সে কথা গুলো উপেক্ষা করার ক্ষমতা বিধাতা আমাকে দেন নি। মাঝে মাঝে গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে, আমি আনমনা হয়ে নিজে নিজেই মারিয়ার সাথে কথা বলি। অজান্তেই চোখের পাতা গুলো ভিজে আসে আমার। রিমি এগুলোর কিছুই টের পায় না। আমি মেয়েটার ঘুমন্ত নিষ্পাপ মুখটার দিকে তাকিয়ে থেকে মারিয়াকে খুঁজতে থাকি।..
.
(সত্যি অনেক ভালো লাগে তখন, যখন দেখি আমার ভালোবাসার মানুষটি আমাকে care করতে করতে এতোটাই পাগলামী করে...যে তখন মনে হয় পৃথিবীর সবচাইতে সুখি আমি.......)
ভরাট সুরেলা কন্ঠে প্রেমের ফাঁদ
ভরাট সুরেলা নারী কন্ঠে একটা ফোন কল ,
‘ হ্যালো- এটা কি রিফাত ভাইয়ার নাম্বার, অথবা ‘ ভাইয়া ভুল করে আপনার নাম্বারে ৫০ টাকা চলে গেছে, যদি ফিরিয়ে দিতেন ‘ এমন নানা বাহানায় অপরিচিত কোন ফোন থেকে যেকোন দিন কল আসতেপারে আপনারো !
মোটামুটি আপনি যদি দুর্বল গোছের পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে ফিরতি কল তো অবশ্যই করবেন……
মনে রাখবেন শতকরা এমন ৯৫ ভাগ কলেই চূড়ান্ত কোন ফাঁদে পড়ে ফেঁসে যাবার পথেই আপনি ! অতএব সাধু সাবধান !!যুবতীর নাম তানিয়া । বয়স ত্রিশের কিছু বেশি, তবে সাজগোজ আর চলাফেরা দেখে বোঝার উপায় নেই বিশ অথবা বাইশের উপরে তিনি ।
আপাতদৃষ্টিতে অনেক পুরুষের নজর কাড়ার মত সক্ষমতা আছে তার। কন্ঠেও নাকি ‘যাদু’ আছে। লাস্যময়ী কথার সাথে বাহ্যিক সৌন্দর্যকেই ফাঁদ বানিয়ে শিকার করাই এই যুবতীর অন্যতম কাজ ।এই ফাঁদ দিয়ে সে যদি কাউকে ঘায়েল করতে চায় তাহলে নাকি মোটামুটি দুর্বল গোছের যেকোন পুরুসেরই নিজেকেআটকানো বেশ দাঁয় হয়ে পড়ে’। প্রতারক চক্রের অন্যতম সদস্য তানিয়া সম্পর্কে সময়ের কণ্ঠস্বরকে ঠিক এমনটাই জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তানিয়ার ফাঁদে পড়া ভুক্তভোগী এক যুবক ।মোটামুটি বেশ কিছুদিন ধরেই সংঘবদ্ধ একটি দলকে সাথে নিয়ে মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদ পেতে শিকার করেছেন বেশ কিছু। পুলিশের সন্দেহের তালিকায় ছিলেন আগে থেকেই শুধুমাত্র প্রমাণের অপেক্ষা । কারন ইতোপূর্বে এই সুন্দরী যাদের শিকার করেছিলেন তাদের প্রায় সবাই সামাজিক লজ্জার ভয়ে চুপটি মেরে গিয়েছিলেন ।তবে শেষ দফায় এবারই ঘটলো বিপত্তি, হারুন নামের এক যুবককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়ের সময় গভীর রাতে হাতে নাতেই আটক হলেন সুন্দরী প্রতারিকা তানিয়া ও তার এক সহযোগী ।মামলা সুত্রে জানা গেছে, তানিয়া নামে এক মহিলা দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে প্রেমের ছলনা করে বিভিন্ন যুবকদের দৌলতপুরের একটি বাড়িতে ডেকে এনে আটকে রেখে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে আসছিলো ।খুলনা নগরীর দৌলতপুরে প্রেমের ফাঁদ ফেলে হারুন নামের এক যুবককে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুই প্রতারককে আটক করে পুলিশ। এসময় জিম্মি হওয়া হারুনকেও উদ্ধার করেছে পুলিশ। হারুন মুন্সীগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।গ্রেফতারের পরই প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে তানিয়া জানিয়েছেন , কেবলমাত্র কিছুটা’ লোভী পুরুষই টার্গেট ছিলো তাদের । আগেভাগেই বিভিন্ন সুত্রে খবর নিয়ে তারা নিশ্চিত হতেন বিভিন্ন পুরুষের দুর্বলতা সম্পর্কে । এরপর বিভিন্ন কায়দায় টার্গেট করা ঐ মানুষটিকে ফোন করা হত। এভাবেই সখ্যতা গড়ে একসময় পরিণয়ের হাতছানি, এরপর আগে থেকেই প্লান মাফিক ফাঁদে ফেলে সম্মানের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় । এভাবেইচলতো একের পর এক ঘটনা ।দৌলতপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সেলিম মোল্লা সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, তানিয়া নামে এক মহিলা দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে প্রেমের ছলনা করে বিভিন্ন যুবকদের দৌলতপুরেরএকটি বাড়িতে ডেকে এনে আটকে রেখে মোটা অংকের অর্থ আদায় করেআসছে।সর্বশেষ বুধবার হারুণ নামে এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে খুলনায় এনে আটকে রেখে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। এ ঘটনাটিপুলিশ জানতে পেরে বুধবার রাতে দৌলতপুর এলাকার ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হারুনকে উদ্ধার এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কথিত প্রেমিকা তানিয়া ও প্রতারক চক্রের সদস্য ইমনকে আটক করে।এ ঘটনায় হারুনের ভাই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায়একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার হওয়া ইমন ও তানিয়া আগেওকয়েকজনকে একইভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় করেছে বলে পুলিশ জানায়।